সুযোগ-সুবিধার পরিধি

ফুলব্রাইট স্কলারশিপকে বলা হয় ‘ফুললি ফান্ডেড’ বা পূর্ণ অনুদানপ্রাপ্ত বৃত্তি। এর আওতায় একজন শিক্ষার্থী যেসকল সুবিধা পান:

  • সম্পূর্ণ টিউশন ফি: বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় পড়াশোনার খরচ।

  • মাসিক উপবৃত্তি: যুক্তরাষ্ট্রে থাকা-খাওয়া ও জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানোর জন্য মাসিক ভাতা।

  • বিমান টিকিট: বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া এবং পড়াশোনা শেষে ফিরে আসার বিমান ভাড়া।

  • বই ও শিক্ষা উপকরণ: প্রতি সেমিস্টারে বইপত্র কেনার জন্য নির্ধারিত অর্থ।

  • স্বাস্থ্য বীমা: একাডেমিক পিরিয়ডে সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য সুরক্ষা।

  • ভিসা সহায়তা: জে-১ এক্সচেঞ্জ ভিজিটর ভিসা প্রাপ্তিতে সরাসরি সহযোগিতা।

আবেদনের নূন্যতম যোগ্যতা

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ফুলব্রাইট বৃত্তির জন্য সাধারণত নিম্নলিখিত যোগ্যতাগুলো দেখা হয়:

  • স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম চার বছরের স্নাতক ডিগ্রি।

  • একাডেমিক রেকর্ড।

  • সংশ্লিষ্ট কর্মক্ষেত্রে কমপক্ষে দুই বছরের পেশাদার অভিজ্ঞতা (মাস্টার্সের জন্য)।

  • ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা।

  • পড়াশোনা শেষে দেশে ফিরে আসার দৃঢ় অঙ্গীকার।

ফুলব্রাইট স্কলারশিপের আওতায় বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, ব্রাজিল, মেক্সিকো, নাইজেরিয়া, মিশর, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভিয়েতনামসহ ১৬০টি দেশের শিক্ষার্থীরা ফ্রি উচ্চশিক্ষার সুযোগ নিতে পারবেন।